Miscellineous

হাবিপ্রবি'র ২১ শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল। হাবিপ্রবিতে ২১ শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ: হাইকোর্টের রুল জারি।
Photo


বিশেষ প্রতিনিধি:


হাবিপ্রবি'র ২১ শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল:

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা ২১ শিক্ষার্থীকে তাদের ভর্তি (রিপোর্টিং) কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেয়া কেন অবৈধ হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রোববার এই আদেশ দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আগামি সাত দিনের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

‘১৫ মিনিটে ২১ শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন আজ আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এ এম মাছুম, সাইফুর রহমান রাহী ও নাহিয়ান ইবনে সোবহান।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

প্রতিবেদনেটিতে বলা হয়েছে, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ১৩ জানুয়ারি ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়।


 কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট দেরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কারণে রিপোর্টিং কার্যক্রমে অংশ নিতে না পারা ২১ শিক্ষার্থীর কাগজপত্র জমা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি হতে পারেননি ওই শিক্ষার্থীরা।


হাবিপ্রবিতে ২১ শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ: হাইকোর্টের রুল জারি:

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) অপেক্ষামান থাকা ২১ শিক্ষার্থীর ১৫ মিনিট দেরি হওয়ার কারণে তাদের ভর্তির কাগজপত্র জমা না নেওয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে রোববার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন ব্যারিস্টার এ এম মাসুম।

১৪ জানুয়ারি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ১৩ জানুয়ারি ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট দেরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কারণে ২১ শিক্ষার্থীর কাগজপত্র জমা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি হতে পারেননি ওই শিক্ষার্থীরা।  

জানা যায়, বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রিপোর্টিং কার্যক্রমে অংশ নিতে বলা হয় ওয়েটিং লিস্টে থাকা শিক্ষার্থীদের। কিন্তু চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের ২১ শিক্ষার্থী সোয়া ১২টায় ক্যাম্পাসে পৌঁছান। ভুক্তভুগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বাস চালক ও চালকের সহযোগীর (শ্যামলী পরিবহন) গাফিলতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারেননি তারা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোস্তফা গালিব (অপেক্ষমাণ তালিকায় ১০১ সিরিয়াল) বলেন, ‘হাবিপ্রবিতে ভর্তি হওয়ার জন্য খুবি, ইবি, শাবিপ্রবিতে ভর্তি হইনি। হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদ আমার লক্ষ্য ছিল। বাসের চালক যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠা-নামা করানোয় অনেক সময় পার হয়ে যায়। তবে হাবিপ্রবি প্রশাসন মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য আমাদের মানবিক বিষয়টি বিবেচনায় নিলে না। আমি কোনোভাবেই বিষয়টি মেনে নিতে পারছি না।’

মারুফ ইসলাম অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে (অপেক্ষমাণ তালিকায় ৮৮২ সিরিয়াল) বলেন, ‘আমরা বুধবার (১২ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় বাসে ওঠার পরও পৌঁছাতে পারলাম না। বাসায় গিয়ে বাবা-মাকে কী বলব? যেহেতু আমাদের দোষ ছিল না, তাই কর্তৃপক্ষ চাইলেই বিষয়টি মানবিকতার খাতিরে আমলে নিতে পারত। আমরা সত্যিই ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে হতাশ। এখন পর্যন্ত অনেক টাকাই নষ্ট হলো, কিন্তু কোথাও ভর্তি হতে পারলাম না।’

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সবকিছু একটি নিয়মের মধ্য দিয়েই চলে।

 

২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তি না নেওয়ার কারণ জানতে চান হাইকোর্ট:

অপেক্ষমাণ তালিকা থাকা ২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তির না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আগামী চারদিনের মধ্যে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে রোববার (১৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. মাসুম। বিষয়টি  নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট মাসুম নিজেই।

 

Search

Follow us

Read our latest news on any of these social networks!


Get latest news delivered daily!

We will send you breaking news right to your inbox

About Author

Like Us On Facebook

Calendar